সেই ২০০০ সাল থেকে স্বচ্ছতার সাথে পথচলা...

May 16, 2026 4:35 am

এবার কক্সবাজার উপভোগে কাঠের তৈরি বোট ‘স্বপ্নতরী’

পর্যটকসহ ভ্রমণ পিয়াসু মানুষকে সমুদ্র উপভোগের নতুন সুযোগ দিবে এমবি ‘স্বপ্নতরী’ নামের এই নৌ যানটি। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নুনিয়াছড়াস্থ বিআইডব্লিউটি ঘাটে উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের আরও একটি নতুন দ্বারের উন্মোচন হয়েছে।

ওইদিন ফিতা কেটে শুভ উদ্বোধন করেন কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র মুজিবুর রহমান প্রমুখ। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল ইসলাম, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি নাঈমুল হক চৌধুরী টুটুল, টিআই (এডমিন) আমজাদ হোসাইন, টুরিস্ট পুলিশের ওসি গাজী মিজানুর রহমান। স্থানীয় কাউন্সিলর শাহেনা আক্তার পাখি, স্থানীয় সমাজ কমিটির সভাপতি ও পৌর আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম উল্লাহ সেলিম, হোটেল মোটেল মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন ও ট্যুর অপারেটর অনার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, সমুদ্র ভ্রমণে কক্সবাজারে সর্বপ্রথম কাঠের তৈরি স্বপ্নতরী নৌ যানটি ধারণ ক্ষমতা ১৪৬ জনের। এটি প্রতিদিন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে সমুদ্রে যাত্রা করবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া ঘাট হয়ে যাত্রা দিয়ে মহেশখালীর সোনাদিয়া, শাপলাপুর পয়েন্ট ঘুরে সৈকতের লাবণী পয়েন্ট হয়ে ঘাটে ফিরে আসবে। আর সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বাঁকখালী নদীর কস্তুরাঘাট নতুন ব্রিজ পার হয়ে আবার নাজিরারটেক নতুন এয়ারপোর্ট রানওয়ে হয়ে মহেশখালীর আশপাশে ঘুরে ঘাটে ফিরবে।

এছাড়া নিরাপত্তার জন্য নৌ যানটিতে সবসময় টুরিস্ট পুলিশ নিয়োজিত থাকবে, থাকবে আনসার সদস্যও। পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয়া ও অগ্নিনির্বাপকসহ যাবতীয় সরঞ্জাম রাখা হয়েছে এটিতে।

পর্যটন শিল্প উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, দীর্ঘদিন কক্সবাজারে সী বিচ এবং সেন্টমার্টিন ভ্রমণ ছাড়া আর কিছুই ছিল না। পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ এবং প্রাকৃতিক মনোরম সৌন্দর্য উপভোগ করার প্রয়াসে আমি এই খাতকে এগিয়ে নিতে এই হাউজ বোট চালু করি। দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর অবশেষে গতকাল (শুক্রবার) উদ্বোধন করা হয় এটি।

তিনি বলেন, নৌ যানটিতে পর্যটকদের সকালের যাত্রায় দুপুরের খাবারসহ জনপ্রতি এক হাজার ৬০০ টাকা এবং দুপুরের খাবারে থাকবে চিংড়ি, মুরগি, সবজি, ডাল, সালাদ, কোল্ড ড্রিংকস ও পানি। রাতের যাত্রায় জনপ্রতি দুই হাজার টাকা করে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্থানীয় পিঠা ও বিভিন্ন রকমের খাবার থাকবে ভ্রমণে।

সময়ের আলো/অনলাইন/৩.২.২৪