-
Facebook
-
Twitter
-
Linkedin
মুজিব শতবর্ষ ভাষা জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
[৩] এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা বলেন, জাতি হিসেবে আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। দুর্ভাগ্য আমাদের, একটা সময় ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। সময়মতো ইতিহাস আপন আলোয় উদ্ভাসিত হয়। এখন আর সেই দিন নেই। মানুষ এখন প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারছে। বিজয়ী জাতি যদি মাথা উঁচু করে চলতে না পারে, তাহলে বিজয় কীসের?
[৪] প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ভাষার অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিলো; শুধু তাই নয়। ভাষাকে বিকৃত করারও বহু অপচেষ্টা হয়েছিলো। আমরা লড়াই সংগ্রাম করে মাতৃভাষার অধিকার আদায় করেছি।
[৫] শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষার জন্য মাতৃভাষা গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব এখন এতো কাছাকাছি, একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। বিদেশি ভাষা শেখার প্রয়োজন আছে। কিন্তু শিক্ষার মাধ্যম মাতৃভাষা হওয়া উচিৎ। পাশাপাশি অন্য ভাষা শিখার সুযোগ থাকতে হবে।
[৬] তিনি বলেন, একটা বিষয় লক্ষণীয়; কিন্ডারগার্টেন স্কুলের প্রতি আমাদের আগ্রহ বেশি। অথচ সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়ন করেছে।
[৭] প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে বলেন; অনুবাদের দরকার নেই। আমি এর বিরোধিতা করি। যতো বেশি অনুবাদ হবে, ততো বেশি বাংলা ভাষার প্রসার ঘটবে। আবার বিদেশি সাহিত্যের অনুবাদ করা হলেও আমরা উপকৃত হবো।
[৮] বাংলা ভাষার বিকৃতি রোধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, অনুবাদ শুদ্ধ হতে হবে। উচ্চারণ শুদ্ধ হতে হবে। মাতৃভাষাকে আরো শক্তিশালী করে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে।
[৯] প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ও বাংলা একাডেমিকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করলে ভালো ফলাফল আসবে। আমরা চাই, বাংলার পাশাপাশি বাঙালিকেও সারা বিশ্ব চিনুক।
[১০] প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় বাঙালির অঙ্গীকার অটুট থাকবে। অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন; অস্ত্রের টাকা জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা ও নারী-শিশুর উন্নয়ন এবং জলবায়ু খাতে ব্যয় করলে বিশ্ব উপকৃত হবে।
আমাদেরসময়/অনলাইন/২১.২.২৪