-
Facebook
-
Twitter
-
Linkedin
অবশেষে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি
দুর্গাপূজা। আর এই পূজা উপলক্ষে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে তিন হাজার মেট্রিক টন ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সুলতানা আক্তারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন রপ্তানিকারকদের আবেদনের বিপরীতে নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে তিন হাজার টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমোদন দেয়া হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদেরকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো। উল্লিখিত সময়সীমার পর প্রাপ্ত আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে যারা ইতোমধ্যে আবেদন করেছেন তাদের নতুন করে আবেদনের প্রয়োজন নেই।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারতে ৬৬৪ দশমিক ৮৬ টন ইলিশ রপ্তানি করেছে। যার রপ্তানি মূল্য ৭ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার। তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ১ হাজার ৩৭৬ দশমিক ৪২ টন ইলিশ রপ্তানি করেছিল, যার মূল্য ১৩ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশেও এ মাছের চাহিদা বেশি। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইলিশের আহরণ বাড়লেও দেশের বাজারে দাম এখনো বেশ চড়া।
মৎস্য তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ৫ লাখ ৭১ হাজার ৩৪২ টন ইলিশ উৎপাদন হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন হয়েছিল ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৫৯৩ টন। প্রতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে বঙ্গোপসাগর থেকে ডিম পাড়ার জন্য নদীতে আসে ইলিশ। তখন জেলেরা ইলিশ শিকার করেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বা জিআই পণ্য হিসেবে ২০১৭ সাল থেকে স্বীকৃত ইলিশ। টানা পাঁচ বছর ধরে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করে আসছে বাংলাদেশ। যদিও ২০১২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত রপ্তানি বন্ধ ছিল। ২০১৯ থেকে ভারতে আবার ইলিশ রপ্তানি চালু হয়। প্রায় প্রতিবছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাঁচ হাজার টন ইলিশের চাহিদার কথা জানিয়ে থাকেন ভারতের কলকাতার ব্যবসায়ীরা।