-
Facebook
-
Twitter
-
Linkedin
রাতভর ইসরায়েলে ইরানের তাণ্ডব, নিহত ৭
সারারাত ধরে উত্তর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। হাইফা ও তেল আবিবসহ অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে তেহরান। এই হামলায় ৭ জন নিহত হয়েছে।
রোববার (১৫ জুন) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শনিবার রাতে ইসরায়েলে বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।
তেহরানের জ্বালানী সরবরাহকেন্দ্র এবং সংরক্ষণকেন্দ্রে ইসরায়েলের হামলার চালানোর পর ইরান এই হামলা চালায় হাইফা এবং তেল আবিবসহ আরও বেশ কয়েক জায়গায়। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আলজাজিরাকে জানান, আমরা ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছি।
শনিবার রাত সাড়ে ১১ টার পর পরই ইসরায়েলে হামলা শুরু করে ইরান। এ হামলায় ড্রোনের পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইরান। শুক্রবার রাতে তেল আবিবে শতাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এই হামলায় চারজন নিহত এবং বহু আহতের খবর পাওয়া যায়।
এর পরপরই শুক্রবার ভোরে ইরানে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। এর পাশাপাশি আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এই হামলায় ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডারসহ ৮০ জন নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ২০ জন শিশু রয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এ পরিস্থিতিতে, অপারেশন ট্রু প্রমিস-৩ এর অংশ হিসেবে ইরান নতুন করে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে আরও মিসাইল নিক্ষেপ করেছে।
শনিবার রাতে নতুন করে হামলা করে ইরান। সর্বশেষ এ হামলায় দেশটির উপকূলীয় শহর হাইফা এবং এর পার্শ্ববর্তী তামরায়কে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে। এ সময় সেখানে কয়েক ডজন মিসাইল নিক্ষেপ করেছে তেহরান, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি মিসাইল সরাসরি হাইফাতে আঘাত হানে।
এক প্রতিবেদনে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১৩ জানিয়েছে, এই হামলায় উপকূলীয় শহর হাইফা এবং এর পার্শ্ববর্তী তামরায় মিসাইল আঘাত হেনেছে।
কাতারভিত্তিক বার্তা সংস্থা আলজাজিরা জানিয়েছে, হাইফাতে ইরানের হামলা ছিল অনেকটাই অনুমানযোগ্য, কারণ সেখানে দখলদারদের প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত। ইরান মূলত তাদের গ্যাসক্ষেত্রে চালানো ইসরায়েলি হামলার জবাব দিতেই হাইফাতে এই হামলা চালিয়েছে।
১৫ জুন, ২০২৫