-
Facebook
-
Twitter
-
Linkedin
ই-সিগারেট বিক্রি বন্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ
এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইউটিউব, বিভিন্ন ওয়েবসাইট, লিংকইন, টুইটার এবং অনলাইন কোম্পানিতে, ইবে, ই-শপসহ সব মাধ্যমে ই-সিগারেটের বাণিজ্যিকীকরণ বিজ্ঞাপন বন্ধের কথা বলা হয়েছে।
সোমবার (১৩ নভেম্বর, ২০২৩) রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। নোটিশ পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে জনস্বার্থে আইনগত পদক্ষেপ হিসেবে মামলা দায়ের করে ই-সিগারেট বন্ধের নির্দেশনা চাওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, নোটিশে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব; স্বাস্থ্য, পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব; বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি) সংশ্লিষ্ট ৬ (ছয়) জনকে বিবাদী করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, সাধারণ সিগারেটের বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রনিক সিগারেট বা ই-সিগারেট আজকাল তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আধুনিক স্টাইলের কারণে তরুণ সমাজ মনে করছে এ সিগারেট ব্যবহার এক ধরনের স্মার্টনেস। অতি দ্রুত আমাদের তরুণ সমাজ ই-সিগারেটে আসক্ত হয়ে পড়ছে যেটি খুবই উদ্বেগজনক।
ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, এরই মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মতে, ব্রাজিল, সিঙ্গাপুর, চীন, ভুটান, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, ভুটান, ভারতসহ বিশ্বের অন্তত ৪৭টি দেশ এই সিগারেটের উৎপাদন, বিপণন, বাজারজাতকরণ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। আরও বহু সংখ্যক দেশে নিষিদ্ধ প্রক্রিয়া চলমান।
এ আইনজীবী আরও বলেন, বাংলাদেশে ই-সিগারেট বন্ধে এখনো পর্যন্ত কোনো আইন চূড়ান্ত হয়নি। তবে ২০২১ সালে বাংলাদেশের ১৫৩ জন সংসদ সদস্য এক চিঠিতে ই-সিগারেট বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ই-সিগারেট বন্ধের নির্দেশনা দেন। প্রচলিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ সংশোধন করে ই-সিগারেট বন্ধের জন্য একটি প্রস্তাবিত আইন প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আইনটি আলোর মুখ দেখেনি।
এ কারণে বিষয়টি উল্লেখ করে ই-সিগারেটের বাজারজাত, আমদানি, রপ্তানি, বাণিজ্যিকীকরণ, বিজ্ঞাপন এবং ব্যবহার বন্ধের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, নোটিশে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব; স্বাস্থ্য, পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব; বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি) সংশ্লিষ্ট ৬ (ছয়) জনকে বিবাদী করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, সাধারণ সিগারেটের বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রনিক সিগারেট বা ই-সিগারেট আজকাল তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আধুনিক স্টাইলের কারণে তরুণ সমাজ মনে করছে এ সিগারেট ব্যবহার এক ধরনের স্মার্টনেস। অতি দ্রুত আমাদের তরুণ সমাজ ই-সিগারেটে আসক্ত হয়ে পড়ছে যেটি খুবই উদ্বেগজনক।
ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, এরই মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মতে, ব্রাজিল, সিঙ্গাপুর, চীন, ভুটান, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, ভুটান, ভারতসহ বিশ্বের অন্তত ৪৭টি দেশ এই সিগারেটের উৎপাদন, বিপণন, বাজারজাতকরণ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। আরও বহু সংখ্যক দেশে নিষিদ্ধ প্রক্রিয়া চলমান।
এ আইনজীবী আরও বলেন, বাংলাদেশে ই-সিগারেট বন্ধে এখনো পর্যন্ত কোনো আইন চূড়ান্ত হয়নি। তবে ২০২১ সালে বাংলাদেশের ১৫৩ জন সংসদ সদস্য এক চিঠিতে ই-সিগারেট বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ই-সিগারেট বন্ধের নির্দেশনা দেন। প্রচলিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ সংশোধন করে ই-সিগারেট বন্ধের জন্য একটি প্রস্তাবিত আইন প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আইনটি আলোর মুখ দেখেনি।
এ কারণে বিষয়টি উল্লেখ করে ই-সিগারেটের বাজারজাত, আমদানি, রপ্তানি, বাণিজ্যিকীকরণ, বিজ্ঞাপন এবং ব্যবহার বন্ধের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
সময়ের আলো/অনলাইন/১৩ নভেম্বর, ২০২৩