-
Facebook
-
Twitter
-
Linkedin
কুয়াশাচ্ছন্ন কুড়িগ্রাম
বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এ জনপদের মানুষের জীবন যাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। শীতের সাথে ঘন কুয়াশায় জবুথবু হয়ে পড়েছে পথঘাট ও প্রকৃতি। গত কয়েক দিন ধরে ১৭ ডিগ্রি থেকে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করছে এ জনপদের তাপমাত্রা। রোববার (২৪ নভেম্বর) সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ অঞ্চলে সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে ঘন কুয়াশা আর প্রচণ্ড শীতের কারণে যানবাহন গুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে যাতায়াত করতে দেখা গেছে।
দিনের বেলা তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও মধ্যরাত থেকে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ঠান্ডা অনুভূত হতে থাকে। এ সময় ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে বিস্তীর্ণ এলাকা।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে সর্দি-জ্বর, মাথাব্যথা, ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, অ্যাজমাসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। অন্যদিকে কুয়াশা ও শীতের কারণে খেতমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষগুলো বিপাকে পড়েছে। তারা সময় মতো কাজে যেতে পারছে না। এ ছাড়াও শীতের কবলে পড়েছে নদ-নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের হত দরিদ্র মানুষজন।
জেলা সদরের মোগলবাসা ইউনিয়নের আজগার আলী বলেন, গত কয়েকদিন থেকে শীত ও ঠান্ডা অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাতে বৃষ্টির মতো পড়তে থাকে কুয়াশা। ঠান্ডা ও শীতের কারণে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তার পরেও সকালে কাজের জন্য বাহির হয়েছি। কাজ না করলে তো আর সংসার চলবে না। যতই কষ্ট হোক কাজ তো করতেই হবে। তাই কাজে বের হয়েছি।
পৌর শহরের জয়নাল আবেদীন জানান, আজ ভীষণ কুয়াশা পড়ছে তার সাথে শীতও পড়ছে। মানুষ ঘুম থেকে না উঠতেই আমরা কাজের জন্য বাহির হয়েছি। যতই শীত বা ঠান্ডা হোক না কেন, কাজ ছাড়া কোন উপায় নাই আমার।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি মাসের শেষে এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হিমেল বাতাস বইতে পারে। সে সময় ঠাণ্ডার তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে।