-
Facebook
-
Twitter
-
Linkedin
গরু কিনলে হজ ফ্রি, ইসলামিক বক্তার আজব অফার!
একসঙ্গে তিনটি ষাড় কিনলেই মিলবে ফ্রিতে হজ করার সুবর্ণ সুযোগ। ইসলামিক বক্তা মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহর এমন ঘোষণায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। আলোচিত এই তিনটি বিশাল আকৃতির ষাড়গুলোর নাম রাঙ্গা দুদু, কালা পাহাড় ও রাজা মানিক।
তিন তারকা ষাড়কে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী আসছেন খামারে। অনেকে বলছেন, কোরবানির হাটে এই গুরুগুলো আসলে হজের টিকিট।
কয়েক বছর আগে অনেকটা শখের বসে মাত্র ২টি শাহীওয়াল ও ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী কিনে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার তুলাতলী এলাকায় খামার শুরু করেন দেশের সুপরিচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহ।
বর্তমানে মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহর খামারে অর্ধশতাধিক গরু পালন করা হচ্ছে। এর মধ্যে কিছু দেশিয়, কিছু শাহীওয়াল ও ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় রয়েছে। এদের গড় ওজন ৮ থেকে ২০ মণের অধিক হলেও বয়সের দিক থেকে কোরবানির উপযুক্ত হয়েছে বিশাল আকৃতির তিনটি ষাড়। এই অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বড় এই তিন ষাড়।
লাল রঙের রাঙা দুদুর বয়স আড়াই বছরের একটু বেশি। এই সময়ের মধ্যেই এর ওজন হয়েছে ২০ মণের কাছাকাছি। দাম হাঁকানো হয়েছে ১৬ লাখ টাকা। কালো রঙ এবং পাহাড়ের মতো দেখতে কালা পাহাড়ের বয়সও একই। তবে এর শরীরে মাংসের পরিমাণ ২০ মনের অধিক হবার সম্ভাবনা থাকায় দাম ধরা হয়েছে ১৭ লাখ টাকা। আর রাজা মানিকের বয়স কিছুটা কম। ১৫ মণের কাছাকাছি ওজনের ষাঁড়টির দাম চাওয়া হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।
মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহ জানান, কোরবানির পশুর দাম নয় সুস্থ এবং উপযুক্ততা বিচার করা হয়। সেদিক থেকে এই ষাড়গুলো সর্বোত্তম। তিনটি একসঙ্গে কিনলেই থাকছে বিনা খরচে উমরা হজ পালনের সুযোগ।
নিয়মিত তিনবেলা গোসল, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি পরম মমতায় নিজেদের তৈরি দানাদার খাবার, সাইলেস, ঘাস, খর ও পানি খাওয়ানো হয়। এমনভাবে দেশীয় পদ্ধতিতে সুস্থ-সবল পশুপালন করা গেলে নিরাপদ মাংসের সংস্থান নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চিন্ময় কর্মকার, পটুয়াখালী
সময়ের আলো/৩ জুন, ২০২৫