-
Facebook
-
Twitter
-
Linkedin
ইসরাইলের বিমান নামানোর অনুরোধ ফিরিয়ে দিল সৌদি
সৌদি আরবে আটকে থাকা ইসরাইলি যাত্রীদের ফিরিয়ে নিতে দেশটির সামরিক বিমানকে সৌদি ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল ইসরাইল। তবে ইসরাইল ও সৌদি আরবের মধ্যে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তাই সেটি রাখা হয়নি।
সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করা ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানের যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে নিতে বিমান পাঠাতে চেয়েছিল ইসরাইল। তবে দখলদার দেশটির সামরিক বিমান সৌদি ভূমিতে নামার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে রিয়াদ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুই সৌদি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
একটি সূত্র জানিয়েছে, যাত্রীদের ফিরিয়ে নিতে ইসরাইলি বিমানবাহিনী ‘সুপার হারকিউলিস’ উড়োজাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
এর আগে বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমান জরুরি সংকেত পাঠানোর পর সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, বিমানের সহকারী পাইলট মূল পাইলটকে ছুরিকাঘাত করে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। পরে যাত্রীরা তাকে ধরে ফেলেন এবং অন্য পাইলটরা বিমানটি নিরাপদে সৌদি আরবে অবতরণ করান।
ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, যাত্রীদের পরবর্তী ফ্লাইটে করে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে সৌদি সরকারের মিডিয়া অফিস এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সৌদি আরবকে দীর্ঘদিন ধরে চাপ দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে রিয়াদ বলে আসছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার একটি সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেবে না।
এর মধ্যেই সৌদি ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বৈঠকের খবরও অস্বীকার করেছেন এক জ্যেষ্ঠ সৌদি কর্মকর্তা। এর আগে ইসরাইলি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাম্প্রতিক সফরের সময় নেতানিয়াহু সৌদি কর্মকর্তাসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
০১ অক্টোবর ২০২৬