-
Facebook
-
Twitter
-
Linkedin
আমিনুলের হাতেই ক্রীড়াঙ্গনের চাবি
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আমিনুলের এক যুগ সংগ্রামের অবসান ঘটে। ক্ষমতার চেয়ারে না বসেও দেশ ও দশের উপকারে নিজেকে সঁপে দেন। দেশের জনপ্রিয় ও গণতান্ত্রিক দল বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়কের পাশাপাশি দলটির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল। বিএনপি চেয়ারম্যান এবং দেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে অনেক কাজ করেন। এরই প্রতিদানস্বরূপ আমিনুলকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ঢাকা-১৬ আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। নির্বাচনে জিততে পারেননি আমিনুল হক। প্রতিপক্ষের কাছে সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন। তবে ভোটে পরাজিত হলেও রাজনৈতিক পরাজয় তার হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার সুযোগ্য সহচর আমিনুলকে টেকনোক্র্যাট কোটায় বানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
মাঠের মানুষ, খেলার মানুষ, কাছের মানুষ সর্বোপরি ক্রীড়াপাগল, ক্রীড়াপ্রেমী আমিনুল হককে পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে। মাঠের ক্যাপ্টেন থেকে এখন ক্রীড়ার সর্বোচ্চ ব্যক্তিত্ব আমিনুল। দীর্ঘ এক যুগের রাজনৈতিক কর্মের পুরস্কার তার এ মন্ত্রিত্ব লাভ।
আমিনুল হক- বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক পরিচিত মুখ, জনপ্রিয় নাম। সাফজয়ী দলের সদস্য, দেশসেরা গোলরক্ষক। ২০১৩ সালে লাল-সবুজ জার্সি তুলে রাখার পর নতুন এক পরিচয়ে নিজেকে দেশব্যাপী আরও বেশি পরিচিত, সমাদৃত করে তোলেন। জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অনিদ্র রজনী পার করেছেন।
আমিনুল হকের মতো ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ যেন না হারিয়ে যায় এ জন্য তাকে টেকনোক্র্যাট কিংবা উপনির্বাচনের সুযোগ দিয়ে অন্য আসন থেকে পাসের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছিল। নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীকে বিসিবি, বাফুফে, বিভিন্ন ফেডারেশন, খেলোয়াড়সহ বিভিন্ন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা অভিনন্দন জানিয়েছেন।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬