সেই ২০০০ সাল থেকে স্বচ্ছতার সাথে পথচলা...

October 18, 2026 2:50 pm

হেমন্তের শুরুতে মেহেরপুরে শীতের আমেজ

শুরু হয়েছে বাংলা বর্ষের কার্তিক। বাংলা পঞ্জিকার ঋতু হিসেবে হেমন্তকাল। প্রকৃতি যেনো শান্ত ও নীরবে প্রবহমান। শুষ্কতায় কমতে শুরু করেছে খাল-বিলে জমে থাকা বর্ষার পানি। দিনের বেলায় তাপমাত্রা না কমলেও রাতের শীতলতা ও ভোরের কুয়াশা প্রভাব পড়ছে জনজীবনে। শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি যত্নের কথা জানালেন স্বাস্থ্য বিভাগ।

শীতকাল আসতে এখনো দুই মাস বাকি। এর মাঝেই প্রকৃতিতে শীতের আভাস জানাতে কুয়াশা এসে হাজির। ইতোমধ্যে শেষ রাতে শীত অনুভূত হচ্ছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা মেহেরপুরে। সীমান্তবর্তী এ জেলায় এবার দেখা মিলেছে আগাম শীতের। গত এক সপ্তাহ যাবৎ সন্ধ্যার পরেই হালকা কুয়াশা পড়া শুরু হয়ে তা সকালে গিয়ে শেষ হচ্ছে। প্রতিদিনই সকাল ৮টা পর্যন্ত রাস্তার দুপাশের ঘাস, গাছের পাতাসহ ফসলে শিশির জমে থাকার দৃশ্য চোখে পড়ছে। রাতের শুরুতে বৈদ্যুতিক পাখা চালু রাখলেও গভীর রাতে তা বন্ধ করে বয়স্ক মানুষের শরীরে চাদর বা হালকা কাঁথা জড়াতে হচ্ছে।

বিগত বেশ কয়েক বছর শীতের তীব্রতা অনুভূত হয় দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের জেলা মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গায়। এবছরে আগাম শীতের দেখা মেলায় এবার শীতকালে শীতের তীব্রতা অন্য বছরের চেয়ে বেশি হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

কুঞ্জনগর গ্রামের মজনুর রহমান বলেন, অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার একটু আগেই শীতের আবহাওয়া উপস্থিত হয়েছে। এটা আগামী দিনের জন্য আগাম সতর্কবার্তা বলে আমি মনে করি। কেনো না গত বছরও এই সময় মীত বা কুয়াশার দেখা মেলেনি তবুও শীতের সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো চুয়াডাঙ্গার পাশাপাশি জেলা মেহেরপুরেও।

গাংনী মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রমজান আলী জানান, প্রতিদিনই ভোরে আমি হাঁটতে বের হই, প্রতিদিনের ভোরের আবহাওয়াটা আমার চেনা। কিন্তু বেশ কয়েকদিন লক্ষ্য করছি এ বছর যেন সময়ের আগেই কুয়াশার দেখা মিলেছে। তাই এ বছর শীতের তীব্রতা বেশি হবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. একরামুল হক জানান, এ বছর মেহেরপুরে আগাম শীতের দেখা মিলেছে তাই ধারণা করা যায় এবারের শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে। তবে শীতকালের চেয়ে যে আবহাওয়া চলমান রয়েছে এ সময়ে শিশু বয়স্ক মানুষ নানান রোগে আক্রান্ত হতে পারে তাই তাদের জন্য বাড়তি যত্নের প্রয়োজন। ফুল হাতা জামা বা পাতলা চাদর গায়ে দিয়ে ঘুমানো উচিত। কারণ রাত যতো গভীর হচ্ছে ততই আবহাওয়া ঠান্ডা ফলে তারা যে কোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

তৌহিদ উদ দৌলা রেজা, মেহেরপুর
সময়ের আলো/জোই
১৮ অক্টোবর, ২০২৬

আরও - জেলা সংবাদ