-
Facebook
-
Twitter
-
Linkedin
কোরবানির দিন হাঁস-মুরগি জবাই করা যাবে?
কোরবানি করতে হবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। গোশত খাওবা বা লোক দেখানোর নিয়ত করা যাবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লহর কাছে (কোরবানির পশুর) মাংস, রক্ত পৌঁছে না, বরং আল্লাহর কাছে তোমাদের তাকওয়াত (তথা একনিষ্ঠভাবে সম্পন্ন আমল) পৌঁছে।’ (সুরা হজ, আয়াত : ৩৭)
জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ফজরের পর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত কোরবানি করতে হয়। কোরবানি ঈদ উদযাপন করা হয় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে। এ দিনটি ঈদুল আজহা নামে পরিচিত।
ঈদুল আজহার দিনের অন্যতম আমল ঈদের নামাজ আদায় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা। কোরবানির পশু হিসেবে গৃহপালিত গরু, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা, মহিষ, উট ব্যবহার করা যায়। ছাগল, ভেড়া ও দুম্বার কমপক্ষে এক বছর হতে হয়। গরু-মহিষের হতে হয় দুই বছর। উটের পাঁচ বছর পূর্ণ হতে হবে। এসব গৃহপালিত পশু ছাড়া অন্যান্য পশু, যেমন ঘোড়া, হরিণ, বন্য গরু ইত্যাদি দিয়ে কোরবানি করা যাবে না।
কেউ কেউ মনে করেন, কোরবানির ঈদের দিন হাঁস-মুরগি ইত্যাদি জবাই করা যাবে না। এটি একটি অমূলক ধারণা, এর কোনো ভিত্তি নেই। তবে হাঁস-মুরগি দিয়ে কোরবানি আদায় হয় না। কোরবানির নিয়তে এগুলো জবাই করা যাবে না। (বাদায়েউস সানায়ে, ৪/২০৫, দুররুল মুখতার, ৬/৩১৩)
ইসলাম ডেস্ক
সময়ের আলো/০৪ জুন ২০২৫