সেই ২০০০ সাল থেকে স্বচ্ছতার সাথে পথচলা...

May 16, 2026 8:56 am

সিংগাইরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১ লাখ ১০ হাজার পশু 

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে কোরবানির জন্য ১ লাখ ১০ হাজার ২২৪টি গবাদি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে গরু ৭৬ হাজার ২২৪ ও ছাগল ২৪ হাজার। উপজেলায় চাহিদা রয়েছে ১২ হাজার ৩০০। বাকিগুলো চলে যায় দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

সিংগাইর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলার ৩৭টি গরুর খামার ছাড়াও বসতবাড়িতে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির গরু ও ছাগল মোটাতাজাকরণ হচ্ছে। এ বছর কোরবানির জন্য এলাকার চাহিদা পূরণ করেও প্রায় ১ লাখ গবাদি পশু গাবতলী পশুর হাটসহ বিভিন্ন জায়গায় নেওয়া হচ্ছে। এসব গরু ও ছাগল মোটাতাজাকরণে খামারি বা ব্যক্তি পর্যায়ে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে না।

খামারিরা জানান, এসব গবাদি পশুকে নিজ বাড়ি ও খামারে প্রাকৃতিকভাবে লালন-পালন করা হয়েছে। জমিতে চাষ করা ঘাস ও দানাদার খাবার খায়ানো হয়েছে।

উপজেলার বড় বাকা গ্রামের খামারি আশিকুল ইসলাম বলেন, গত ৮ মাস আগে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে দুটি ষাঁড় গরু কিনেছি। ঈদকে সামনে রেখে গরু দুটি ২ লাখ ২৮ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। গো খাদ্যের দাম কম হলে ভালো লাভবান হতে পারতাম।

তালেবপুর ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর গ্রামের ফার্ম সাইড এগ্রোর মালিক পক্ষের ফাহিম উদ্দিন বলেন, আমাদের ফার্মে ৯০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত দামের ৬৫টি গরু ছিল। গত রোজার মাস থেকে এ পর্যন্ত সবগুলো গরুই বিক্রি হয়ে গেছে। ঈদের আগের দিন ঢাকা থেকে লোকজন এসে গরুগুলো নিয়ে যাবেন। গরুর খাবারের দাম অতিরিক্ত হওয়ায় লাভের মুখ দেখছি না বললেই চলে। যেহেতু ফার্ম শুরু করেছি, এখন আর বাদ দিতে পারছি না, লোকসান হলেও টিকিয়ে রাখতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাজেদুল ইসলাম বলেন, মাঠ পর্যায়ে আমাদের যথেষ্ট তদারকি রয়েছে। আশা করছি এবার পশুর দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। এ এলাকায় গবাদি পশু মোটাতাজাকরণে কোনো স্টেরয়েড ব্যবহার হয় না। প্রাকৃতিকভাবে কাঁচা ঘাস, শুকনো খর ও দানাদার খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

তিনি আরও বলেন, উপজেলায় ৫টি পশু হাটে পাঁচটি মেডিকেল টিম ছাড়াও একটি স্ট্রাইকিং টিম গঠন করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চামড়া সংরক্ষণের জন্য মাদ্রাসাগুলোতে সচেতনতা প্রোগ্রাম করা হয়েছে।

আরও - জাতীয় সংবাদ

আরও - জেলা সংবাদ