সেই ২০০০ সাল থেকে স্বচ্ছতার সাথে পথচলা...

May 16, 2026 6:00 am

রাজধানীতে নামছে ৪০০ বৈদ্যুতিক বাস

বেশকিছু বছর ধরেই ঢাকার বাতাসের মান খারাপের দিকে বিশ্বে শীর্ষ দশেই অবস্থান করে। যার প্রায় ২৫ শতাংশ দূষণ আসে পুরোনো ও ফিটনেসবিহীন জীবাশ্ম জ্বালানির গাড়ি থেকে। এ ছাড়া ঢাকার ৮০ শতাংশেরও বেশি যানবাহন ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ করে।

পাশাপাশ অদক্ষ গণপরিবহনের কারণে যানজট বাড়ে, গাড়ি রাস্তায় অলস বসে থাকে এবং এতে প্রতিদিন ৮২ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়।

দীর্ঘদিন ধরে চলা বিশৃঙ্খলা, দূষণ ও অনিরাপদ সেবার অবসান ঘটাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় একটি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ফান্ড (পিটিএফ) গঠন করতে যাচ্ছে সরকার। রাজধানীর বিপর্যস্ত গণপরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কার আনতে বৈদ্যুতিক বা ইলেকট্রিক বাস নামানোর জন্য অর্থায়ন করতে যাচ্ছে পিটিএফ।

বাংলাদেশ ক্লিন এয়ার প্রজেক্ট ফেজ-১-এর আওতায় ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এই তহবিল গঠন করবে। এর মাধ্যমে প্রথমে ঢাকায় ৪০০টি বৈদ্যুতিক বাস নামানো হবে। পরে অন্যান্য বড় শহরেও এই উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বাস পরিচালনাকারীদের আর্থিক অস্থিতিশীলতা থেকে রক্ষা করা এবং সেবার ন্যূনতম মান নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেওয়া হবে।

প্রকল্পের নথিপত্র অনুযায়ী, এই পরিবহন তহবিলে মূলধন হিসেবে ৪২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সিড ক্যাপিটাল হিসেবে থাকবে আরও ২৪৪ কোটি টাকা। নতুন এই ব্যবস্থায় বাস অপারেটরদের নির্দিষ্ট হারে ফি দেওয়া হবে। অন্যদিকে ভাড়া নির্ধারণ, রাজস্ব আদায় ও যাত্রীর চাহিদা কম-বেশি হওয়ার সব ধরনের ঝুঁকির দায়িত্ব নেবে সরকার।

এর পাশাপাশি সরকার পুরোনো ডিজেলচালিত বাসগুলো পর্যায়ক্রমে তুলে নেওয়া বা ‘স্ক্র্যাপ’ করার এবং মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। মালিকরা যাতে পুরোনো বাস সরিয়ে নতুন ব্যবস্থায় যুক্ত হতে পারেন, সেজন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ ৮৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিটিসিএর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেশের একটি গণমাধ্যমে জানান, শহরের গণপরিবহন থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানো এবং বাস খাতের দীর্ঘদিনের আটকে থাকা সংস্কার বাস্তবায়ন করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

/এমএইচআর
সময়ের আলো ডেস্ক
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

আরও - জাতীয় সংবাদ

আরও - জেলা সংবাদ