সেই ২০০০ সাল থেকে স্বচ্ছতার সাথে পথচলা...

July 1, 2026 4:48 am

খামেনি নিহত, ৪০ দিনের শোক

ইরানি সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে তার অফিসে ‘নিজ দায়িত্ব পালন করার সময়’ হত্যা করা হয়েছে। যৌথ এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। দেশটির তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রোববার (১ মার্চ) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স সংবাদ সংস্থার বরাতে আল জাজিরা ও বিবিসি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পর ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বাংলাদেশ সময় রোববার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি নিহত।’

উল্লেখ্য, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এতে তার প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।

৪০ দিনের শোক

কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে এক ঘোষণায় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের উপস্থাপক দেশটিতে ৪০ দিনের শোক ঘোষণার কথা জানান। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলার পর খামেনি মারা গেছেন বলে দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসন ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। এক বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।

সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফও ছিলেন।

০১ মার্চ ২০২৬
সূত্র: বিবিসি/সিএনএন

আরও - আন্তর্জাতিক সংবাদ