সেই ২০০০ সাল থেকে স্বচ্ছতার সাথে পথচলা...

May 16, 2026 4:37 am

আবাহনীকে চ্যাম্পিয়ন করাতে চান দিয়াবাতে

বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবল লিগে অনেক বছর ধরে খেলছেন সুলেমানে দিয়াবাতে। ঢাকা প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের অন্যতম সেরা বিদেশি ফুটবলারের তারকা-খ্যাতিও পেয়ে গেছেন মালির এই ফরোয়ার্ড। অনেকটা ইচ্ছার বিরুদ্ধে মোহামেডানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়েছে।

আর তাইতো নতুন ক্লাব তার সাবেক দলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী। ক্লাবটির হয়ে শুরুতেই চ্যালেঞ্জের সামনে মালির স্ট্রাইকার। মোহামেডান চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে আবাহনী কেন চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে না। ঢাকায় নেমে এমনটাই বললেন সুলেমানে দিয়াবাতে।

দিয়াবাতে আজ রোববার প্রথমবার আবাহনীর জার্সিতে অনুশীলন করেছেন। আগামী ১২ আগস্ট এএফসি টুর্নামেন্টে খেলা। এই প্রতিযোগিতা শেষ করতে চান সেরা সাফল্য নিয়ে। তিনি বললেন, ‘প্রথমবার এএফসি টুর্নামেন্টে খেলছি। তবে সব ফুটবল একই ধরনের। তাই আমি আমার খেলাটা খেলবো ইনশাআল্লাহ। আমরা জেতার চেষ্টা করবো। জয়ের জন্য সবকিছু করবো।’

নতুন ক্লাব, তবুও বেশ জানাশোনা। তেমনটাই শোনালেন দিয়াবাতে, ‘আবাহনীর সব খেলোয়াড়কে আমি চিনি। তাই তারা আমার কাছে নতুন নয়। হয়তো খেলাটা নতুন, তবে যেমনটা বলেছি ফুটবল একই ধরনের। খালি নামটা ভিন্ন। খেলোয়াড়েরা ভালো, কোচও খুব ভালো। দলও খুব ভালো। আমি বিশ্বাস করি আমরা জিততে পারবো।’
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েও মোহামেডান এই টুর্নামেন্টে নাম লিখতে পারেননি। সেই সুযোগে আবাহনী সুযোগ পেয়েছে। স্থানীয় ও বিদেশি খেলোয়াড়দের মিশেলে ভালো একটি দল আবাহনী, বললেন দিয়াবাতে, ‘ ফুটবল একজনের খেলা নয়। তাদের ভালো স্থানীয় ফুটবলার আছে। ফুটবল শুধু বিদেশিদের জন্য নয়, এখানে স্থানীয়রাও গুরুত্বপূর্ণ। আমি জানি তারা ভালো খেলোয়াড়। তারা যদি আমাকে সহায়তা করে আমরা কিছু একটা করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।’

আবাহনী চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে এই বিশ্বাস ৩৪ বছর বয়সি স্ট্রাইকারের, ‘এই মৌসুমে তারা চেষ্টা করবে কোনো শিরোপা জেতার। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। ফুটবলে যে কোনো কিছু হতে পারে, মোহামেডান চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে আবাহনী কেন পারবে না।’

নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে আবাহনীকে সাফল্য এনে দিতে চান তিনি, ‘আমি অভিজ্ঞ একজন খেলোয়াড়। জানি কীভাবে খেলতে হয়। আমি আমার সেরাটা দেবো এবং গোল করবো।’

আবাহনীতে খেলাকে নতুন চ্যালেঞ্জ মনে করছেন না দিয়াবাতে, ‘নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নয়। সাত বছর ধরে আমি বাংলাদেশ ফুটবলকে চিনি। তাই কোনও কিছু নতুন নয়।’

সাবেক ক্লাবের সঙ্গে আবাহনীর অনুশীলনে তফাত খুঁজে পেয়েছেন তিনি, ‘প্রথম দিনে অনুশীলন করে মনে হয়েছে আবাহনী ও মোহামেডানের মধ্যে বড় পার্থক্য আছে। এখানকার কোচিং কৌশল খুব ভালো। মারুফের কৌশল খুব ভালো, গেম প্ল্যানিংও। তাই পার্থক্যটাও বড়।’

যাযাদি /১০ আগস্ট ২০২৫

আরও - খেলাধুলা সংবাদ