-
Facebook
-
Twitter
-
Linkedin
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চলছে পশু কোরবানি
শুক্রবার (২৯ মে) দিনভর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির কাজ সম্পন্ন করেছেন অনেক পরিবার। ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী ঈদুল আজহার প্রথম দিন ছাড়াও পরবর্তী দুই দিন কোরবানি করার সুযোগ থাকায় প্রতিবছরই রাজধানীতে ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনেও কোরবানির কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।
ঈদুল আজহার প্রথম দিনের ব্যস্ততা ও চাপ কাটিয়ে রাজধানীতে দ্বিতীয় দিন তুলনামূলক স্বস্তির পরিবেশে কোরবানি সম্পন্ন করেছেন অনেক নগরবাসী। কসাই সংকট, অতিরিক্ত ভিড় কিংবা সময়ের অভাবে যারা প্রথম দিনে পশু কোরবানি দিতে পারেননি।
রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, ধানমন্ডি, পুরান ঢাকা, বাড্ডা, মান্ডা ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের ব্যস্ততা দেখা যায়। তবে প্রথম দিনের তুলনায় চাপ কম থাকায় অনেকেই নির্বিঘ্নে কোরবানি দিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অনেক পরিবারকে নিজ উদ্যোগে মাংস কাটাকাটি ও ভাগ-বাটোয়ারার কাজ করতে দেখা গেছে। আবার কোথাও পেশাদার কসাইদের সহায়তায় চলেছে পশু প্রস্তুতের কাজ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের দিন নির্ধারিত স্থানে অতিরিক্ত ভিড় ও দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে অনেকে ইচ্ছাকৃতভাবে দ্বিতীয় দিনের জন্য কোরবানি পিছিয়ে দেন।
প্রতি বছরের মতো এবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মৌসুমি কসাইরা রাজধানীতে এসেছেন। ঈদকে ঘিরে কয়েকদিনের জন্য তারা ঢাকায় অবস্থান করে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজ করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গরুর আকার ও কাজের ধরন অনুযায়ী একটি পশু প্রস্তুতে কসাইদের মজুরি ৮ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ছাগলের ক্ষেত্রে এই খরচ ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে থাকছে।
এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত সরিয়ে ফেলতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে। অনেক এলাকায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বর্জ্য অপসারণ করায় পরিবেশও ছিল তুলনামূলক স্বাভাবিক।
২৯ মে, ২০২৬