সেই ২০০০ সাল থেকে স্বচ্ছতার সাথে পথচলা...

May 16, 2026 11:59 am

সিলেটের শেষ বলে নাটকীয় জয়

ইনিংসের শেষ ৩ ওভারে জয়ের জন্য সিলেটের প্রয়োজন ছিল ২৪ রান। ১৮তম ওভার করতে এসে ৫ রান দিয়ে হ্যাটট্রিকসহ ৩ উইকেট নেন মেহেদি হাসান রানা। তাতেই বদলে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। মাত্র ৬ রান দিয়ে ১৯তম ওভার শেষ করেন হাসান। ফলে শেষ ওভারে জয়ের সমীকরণ দাঁড়ায় ১৩ রানে। এক ছক্কা-চারে সেই সমীকরণ মিলিয়েছে সিলেট।

সিলেটে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান করেছে নোয়াখালী। দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৬১ রান করেছেন অঙ্কন। জবাবে খেলতে নেমে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সিলেট।

সিলেট টাইটানসের হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচটা ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন মেহেদী হাসান রানা। ইনিংসের ১৮তম হ্যাটট্রিক করে। তবে তখনো ম্যাচের নাটকীয়তা শেষ হয়নি। শেষ ৬ বলে ১৩ রানের সমীকরণে যে রোমাঞ্চ ঠাসা ছিল।

ওভারটি করতে এসে প্রথম দুই বলে কোনো রান দিলেন না সাব্বির হোসেন। কিন্তু তৃতীয় বৈধ বল করতে এসেই গোলমাল পাকালেন মিডিয়াম পেসার। হাই ফুলটসে নো বল করে বিপদ ডেকে আনেন তিনি। ফ্রি হিট পেয়ে ছক্কা হাঁকান ইথান ব্রুকস। ফিরতি বলে চার মেরে সমীকরণ আনেন ২ বলে ২।

তবে পঞ্চম ঘুরে দাড়ান সাব্বির। সেই বলে কোনো রান দেন না তিনি। সঙ্গে ব্রুকসকে রান আউট করে ম্যাচ জমিয়ে দেন উইকেটরক্ষক জাকের আলী অনিক। কিন্তু ১ বলে ২ রানের সমীকরণে ফিরতি বলে ওয়াইড দিয়ে বসেন তিনি। শেষ উইকেট জুটিতে ওয়াইড দেওয়ায় ম্যাচ টাই হয়ে যায়। ফিরতি বলে সালমান এরশাদের পায়ে লাগলে বাই রান নেন ননস্ট্রাইক প্রান্তে থাকা তার সতীর্থ মোহাম্মদ আমির।

নোয়াখালীর অধিনায়ক সৈকত আলী রিভিউ নিলেও কোনো লাভ হয়নি। উইকেটেই হিট করেনি বলটি। তাতে প্রথম জয় এক উইকেটের পায় সিলেট। বিপরীতে বিপিএলের ইতিহাসে নবম বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করা রানার পারফরম্যান্স বিফলে যায়।

এর আগে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায় নোয়াখালী। আমিরের আউট সুইং বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন মাজ সাদাকাত। ডাক খেয়েছেন আরেক ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহানও। ২ বল খেলে খালেদের বলে আউট হয়েছেন তিনি।

দুই ওপেনার ডাক খেয়ে সাজঘরে যাওয়ার পর দলের বিপদ আরো বাড়িয়েছেন তিনে নামা হায়দার আলি। এই পাকিস্তানি ব্যাটারও রানের খাতা খুলতে পারেননি। অর্থাৎ প্রথম তিন ব্যাটারের সবাই ডাক খেয়েছেন। ফলে ৯ রানেই ৩ উইকেট হারায় তারা।
দলের এমন বিপদে হাল ধরেন সৈকত আলি ও সাব্বির হোসেন। ২৯ বলে ২৪ রান করেন সৈকত। আর ১৫ বলে ১৫ রান এসেছে সাব্বিরের ব্যাট থেকে। এরপর জাকের আলি ও অঙ্কন মিলে দারুণ জুটি গড়েন। ২৯ রান করে জাকের ফিরলে ভাঙে ৬৬ রানের সপ্তম উইকেট জুটি।

২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

আরও - খেলাধুলা সংবাদ